খুলনা ও নেত্রকোনায় পৃথক ঘটনায় দুই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে খুলনার পশ্চিম টুটপাড়া এবং রোববার (১৮ অক্টোবর) ভোরে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খুলনা মহানগরীর পশ্চিম টুটপাড়া আমতলা মোড় এলাকায় রাত আড়াইটার দিকে গুলিবিদ্ধ হন শেখ জুম্মান রহমান বিশাল (২৭)। তিনি পশ্চিম টুটপাড়া দারোগা বস্তি এলাকার লুৎফর শেখের ছেলে। ঘটনার পর স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে রাত ৩টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
পুলিশ জানায়, বিশালের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তি তাঁকে গুলি করেন। এতে তাঁর বাম পায়ের ঊরুতে গুলি লাগে। পরে হামলাকারীরা তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বলেন, আহত বিশাল একেক সময় একেক রকম তথ্য দিচ্ছেন। তাঁর ভাইয়ের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে। ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
অন্যদিকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার মাইলোড়া এলাকায় রামকৃষ্ণ মন্দিরের পাশে রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গুলিবিদ্ধ হন সুজন পাল (৩৩)। তিনি খালিয়াজুরী উপজেলার মেহেন্দিপুর গ্রামের জিতেন্দ্র পালের ছেলে। মোহনগঞ্জ পৌরশহরের একটি মিষ্টির দোকানে কাজ করতেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ভোরে ঘুম থেকে উঠে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য বাসার পাশের পুকুরে যাচ্ছিলেন সুজন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা মুখোশধারীরা তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যান। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সুজনের স্ত্রী টুম্পা পাল বলেন, বাসার পাশের সড়কে ওঠার পর মোটরসাইকেলে আসা দুই মুখোশধারী ব্যক্তি তাঁর স্বামীর কাছে দুবাইপ্রবাসী পলাশ সাহার বাড়ির অবস্থান জানতে চান। তাঁদের একজন অস্ত্র বের করলে সুজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন পেছন থেকে তাঁকে গুলি করা হয়। পরে হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান।









