পাবনা সদর উপজেলায় একটি মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবু ইউসুফ প্রামাণিক নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোররাতে উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা এলাকার নূরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক আবু ইউসুফ প্রামাণিক পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে একটি ভাড়া ভবনে মাদ্রাসাটি পরিচালনা করে আসছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। রাত আড়াইটার দিকে মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের এক আবাসিক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার সময় শিক্ষক ইউসুফ তাকে নিজের কক্ষে টেনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে ছাত্রীটি কৌশলে পালিয়ে স্থানীয়দের বিষয়টি জানায়।
খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতার একটি অংশ মাদ্রাসায় ভাঙচুর চালায় এবং কয়েকটি কক্ষে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে শিক্ষার্থীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মাদ্রাসায় পাঠদানের পরিবেশ না থাকায় অন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।









